Wellcome to National Portal
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

উপবৃত্তি কার্যক্রম

 

অর্থের অভাবে শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের লক্ষ্য। ট্রাস্টের মাধ্যমে ২০১৩ সাল থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি প্রদান করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এর স্থায়ী তহবিল হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সিডমানি হিসেবে  ১০০০.০০ (এক হাজার ) কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে যা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি তফসিলি ব্যাংকে এফ. ডি. আর. হিসেবে রক্ষিত আছে। উক্ত এফ. ডি. আর. থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ দ্বারা ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শুধুমাত্র নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে ছাত্রীদের পাশাপাশি ছাত্রদেরকেও উপবৃত্তি কার্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে সকল উপবৃত্তি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টে স্থানান্তরিত হবে মর্মে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি, ঝরে পড়ার হার রোধ, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধিসহ শিক্ষাক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যাসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে ট্রাস্ট সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

উদ্দেশ্য:

  • ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির হার বৃদ্ধি;
  • ছোট পরিবার গঠনে উৎসাহ প্রদান এবং প্রজনন হার নিয়ন্ত্রণ;
  • চাকুরির সুযোগ ও উপার্জন ক্ষমতা বৃদ্ধি;
  • দারিদ্র্য বিমোচন ও জেন্ডার সমতা অর্জন; এবং
  • সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন।

 

উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলি:

ক) স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে;

খ) শ্রেণিকক্ষে কমপক্ষে ৭০% উপস্থিতি থাকতে হবে;

গ) শিক্ষার্থীকে পূর্বের পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে শতকরা ন্যূনতম ৬০ ভাগ নম্বরপ্রাপ্ত/জিপিএ ৫.০০ স্কেলে ৩.৭৫/সিজিপিএ ৪.০০ স্কেলে ৩.০০ প্রাপ্ত হতে হবে;

ঘ) পিতা/মাতা/অভিভাবকের বাৎসরিক আয় ২ (দুই) লক্ষ টাকার কম হতে হবে;

ঙ) প্রজাতন্ত্রের বেসামরিক কর্মে নিয়োজিত সকল সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ অনুযায়ী ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের সকল কর্মচারীর সন্তান  উপবৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবে; এবং

চ) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, এতিম শিক্ষার্থী, তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থী, ভূমিহীন পরিবারের সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুস্থ পরিবারের সন্তান উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।

 

উপবৃত্তি ও টিউশন ফি’র হার:

 

ক) উপবৃত্তির পরিমাণ:

একজন শিক্ষার্থী বছরে এককালীন ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা উপবৃত্তি প্রাপ্ত হবেন। নিম্নে এর বিস্তারিত বিভাজন দেয়া হলো:

শ্রেণি (স্নাতক ও সমমান)

উপবৃত্তির হার (টাকা)

মোট টাকা

বই ক্রয়

পরীক্ষার ফিস

সর্বমোট

১ম বর্ষ

২০০/- x ১২ (মাস)

২৪০০/-

১৬০০/-

১০০০/-

৫,০০০/-

২য় বর্ষ

২০০/- x ১২ (মাস)

২৪০০/-

১৬০০/-

১০০০/-

৫,০০০/-

৩য় বর্ষ

২০০/- x ১২ (মাস)

২৪০০/-

১৬০০/-

১০০০/-

৫,০০০/-

৪র্থ বর্ষ

২০০/- x ১২ (মাস)

২৪০০/-

১৬০০/-

১০০০/-

৫,০০০/-

৫ম বর্ষ*

২০০/- x ১২ (মাস)

২৪০০/-

১৬০০/-

১০০০/-

৫,০০০/-

                 

*৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদি কোর্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

উপবৃত্তির জন্য নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীর হার ৪০:৬০ অনুপাতে নির্দিষ্টকরণ [অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকাকে ১০০% ধরে তার মধ্যে হতে ৪০% ছাত্রকে এবং ৬০% ছাত্রীকে উপবৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হবে]।     

খ) টিউশন ফি’র পরিমাণ:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রতি শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাসিক ৬০ (ষাট) টাকা হারে বছরে ৭২০ (সাতশত বিশ) টাকা টিউশন ফি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদান করা হবে। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে টিউশন ফি প্রদান করা হবে না।

 

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও আবেদন প্রক্রিয়া:

ক) প্রতি অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে কমপক্ষে ২ (দুই)টি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক (১টি ইংরেজিসহ) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে অনলাইনে দরখাস্ত আহবান করা হবে;

খ) বিজ্ঞপ্তির কপি ব্যাপক প্রচারণার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধিনস্থ দপ্তর/পরিদপ্তর, বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরণ করা হবে; এবং   

গ) শিক্ষার্থী সরাসরি অনলাইনে নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য আবেদন করবেন। আবেদনপত্রের লিংক ট্রাস্টের ওয়েবসাইট (www.pmeat.gov.bd)-এ সংরক্ষিত থাকবে।

 

প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্বাচন ও চূড়ান্ত তালিকা প্রেরণের নিয়মাবলী:

ক) প্রতিষ্ঠান প্রধান (বা তাঁর পক্ষে কোন প্রতিনিধি) রেজুলেশনে প্রাপ্ত সুপারিশের ভিত্তিতে অনলাইনে শিক্ষার্থী নির্বাচনকালে রেজুলেশনের কপি স্ক্যান করে অনলাইনে নির্ধারিত সফটওয়্যারে সংযুক্ত করবেন;

খ) নির্বাচিত শিক্ষার্থীর শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতির শতকরা হার সফটওয়্যারে ইনপুট দিবেন; এবং

গ) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ সফটওয়্যারের নির্ধারিত অংশে ব্যাংক একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলি আবশ্যিকভাবে সংযুক্ত করবেন। 

 

শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্ব:

ক) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নিজের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপবৃত্তি সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম তত্ত্বাবধান ও উপবৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবেন; এবং

খ) জেলা শিক্ষা অফিসার এ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও সমন্বয় করবেন।

 

উপবৃত্তি ও টিউশন ফি প্রদান প্রক্রিয়া:

ক) উপবৃত্তির অর্থ অনলাইন/মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হবে; এবং

খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ব্যাংক হিসাবে টিউশন ফি’র অর্থ প্রেরণ করা হবে।

 

একনজরে উপবৃত্তি (স্নাতক) বিতরণের চিত্র:

উপবৃত্তির বছর

উপবৃত্তি বিতরণের বছর

ছাত্রী সংখ্যা (জন)

ছাত্র সংখ্যা (জন)

মোট শিক্ষার্থী (জন)

উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বাবদ বিতরণকৃত টাকার পরিমাণ

মন্তব্য

২০১২-১৩

২০১৩

১,২৯,৮১০

০০০

১,২৯,৮১০

৭২,৯৫,৩২,২০০

শুধু মাত্র ছাত্রীদের মাঝে

২০১৪-১৫

২০১৫

১,৪৮,৪০২

১৪,৬৭৭

১,৬৩,০৭৯

৯১,৬৫,০৩,৯৮০

 

২০১৫-১৬

২০১৬

১,৬৯,৮৪৬

৩৯,০৪০

২,০৮,৮৮৬

১১৩,৬১,৩৩,৫৬০

 

২০১৬-১৭

২০১৭

১,৮৬,৭১৪

৬১,১১৯

২,৪৭,৮৩৩

১৩৪,২৪,৭৫,৪৬০

 

২০১৭-১৮ ২০১৮ ১,৯০,২৪৩ ৬৯,৮২৭ ২,৬০,০৭০ ১৩৭,৬০,৮৪,০৪০

 

 

২০১৯-২০ ২০২০ ১,৪৬,৮৫৮ ৬৩,১৯১ ২,১০,০৪৯ ১১০,৯৮,৯২,৩৪০  
২০২০-২১ ২০২১ ১,২৪,৩০৫ ৫৭,৭৯৮ ১,৮২,১০৩ ৯৭,০৯,৮৫,৫৮০  
২০২১-২২ ২০২২ ৮১,৫৪৬ ৫৮,০০৭ ১৩৯,৫৫৩ ৭৪,৮২,৩১,৭০০  

 

 



Share with :

Facebook Facebook